গত দুই দিন বৃষ্টি না হওয়ায় নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে এখনো নিজের ঘরে ফিরতে পারছেন না আশ্রয়কেন্দ্রের বন্যা দুর্গতরা। শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলার বিভিন্নস্থানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বন্যাপ্লাবিত এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ জেলার ৫০২টি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে বন্যা দুর্গতদের আকাশে ঝলমলে রোদ দেখা দেয়ায় বন্যা দুর্গত মানুষের মনে খানিকটা আশার সঞ্চার দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভারী বর্ষণ ও ফেনী নদীর পানির কারণে এপর্যন্ত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জসহ মোট ৮টি উপজেলার সর্বমোট ৮৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েন অন্তত ২০ লাখ মানুষ। অন্যদিকে, বন্যার পানিতে ভাটা দেখা দিলেও বন্যা দুর্গতরা ভুগছেন সুপেয় পানির অভাবে, তাছাড়া, নিরাপদ বাসস্থান ও পর্যাপ্ত সৌচাগারের অভাবে অস্বাস্থকর পরিবেশে দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে জনজীবণ। ফলে অনেকেই পানিবাহিত রোগে হচ্ছেন আক্রান্ত, দেখা দিয়েছে রোগ-বালাই।

ফাইল ফটো
এমন পরিস্থিতিতে, প্লাবিত অঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের মাঝে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টিসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলোকেও প্রয়োজনীয় খাদ্য-সামগ্রী ও ঔষধ বিতরণ করতে দেখা যায়। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী গণমাধ্যমকে জানান, বৃষ্টিপাত, জোয়ার ও ফেনী নদী থেকে আসা পানির চাপ, সবকিছু মিলিয়ে কোম্পানীগঞ্জ মোটামুটি ভালো আছে। তবে পানিতে ভাটা লক্ষ করা গেলেও কোম্পানীগঞ্জের প্রায় অধিকাংশ মানুষ এখনো পানিবন্দিই রয়েছে।