পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ে ক্রয়কৃত জমির সিমানা পিলার ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার হাসিবুল, শহিদুলসহ তার ভাইদের বিরুদ্ধে।
লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মিঠাপুকুর গ্রামে মৌজা -ধাক্কামারা, জে এল নং-১০,আর এস খতিয়ান নং-১৫০৯,আর,এস দাগ নং-১০৯০৫, ১০৯০৭ ২ দাগে ৫৪ শত জমি ক্রয় করেন আলমগীর হোসেন। ক্রয়কৃত জমিতে বিভিন্ন বনজ গাছ লাগিয়ে ভোগ দখল করে আসছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারী দপুরে একই এলাকার হাসিবুল ইসলাম, শহিদুলসহ তার ভাইরা দলবলসহ বাঁশের লাঠি, ছোরাসহ বিভিন্নন প্রকার দেশীয় অস্ত্রে -সস্ত্রে সুজ্জিত হয়ে আলমগীরের ক্রয়কৃত জমিতে অনাধিকার প্রবেশ করে জমিতে থাকা ২ টি সীমানা পিলার তুলে ভেঙে ফেলে।
লোকমারফত খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক আমার জমিতে উপস্থিত হয়ে পিলার তুলে ভাংচুরের বিষয প্রতিবাদ করলে হাসিবুল, শহিদুলসহ তার ভাইরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং অশ্লিল ভাষায গালিগালাজ করতে থাকে। এবং শহিদুল ইসলাম বলে যে আমরা এই এলাকার ক্যাডার। এই এলাকার কোন জমি ক্রয় করলে তাহাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। শহিদুলের অন্যায়মুলক কার্যকলাপের কারণ জিজ্ঞাসা করা মাত্রই হাসিবুল, শহিদুল, আক্তারুল, আনিসুর, মনছুর,শাকিব গংরা আমার উপর মারমুখী আচরন করতে থাকে। ঘটনাস্থলের শোর-চিৎকার শুনিয়া গ্রামবাসীরা ছুটে আসলে হাসিবুল, শহিদুলসহ তার ভাইদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এবং আমার ৫৪ শত ক্রয়কৃত জমি জবর দখল করার হুমকি দিয়ে হাসিবুল ও তার ভাইরা চলে যায।
তাৎক্ষণিক আমি পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। বিষযটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ ৩০ বছর থেকে এই জমি গুলো আমাদের কেনা। দীর্ঘদিন থেকে আমরা ভোগদলে আছে। জমিতে বাঁশ আছে, গাছ পালা আছে। গত দুই মাস থেকে আমরা ওই জমিতে গুলোতে যাইনা। হঠাৎ করে আমার জমির উপর আলমগীর খুটি গাড়ছে। যানতে পারলাম আলমগীর হোসেন জমিটা কিনছে। তাকে ফোন দিয়ে বলি ভাই আমাদের জমির উপর খুটি গাড়ছেন। আমাকে বলার দরকার ছিল। আপনি জমি কিনলেন কার জমি কিনলেন। আমাদের জমির উপর খুটি গাড়ে আপনাকে দখল দিলো আপনি মানে নিলেন।আমাদের জমিতে গাড়া খুটি ২ টি তুলে ফেলি। আমাদের জমির কাগজপত্র সব কিছু রয়েছে।