সৈয়দপুর: রিমঝিম বৃষ্টির মধ্যেই সম্পন্ন হলো সৈয়দপুর রানার্স কর্তৃক আয়োজিত ১০ কিলোমিটার দুরত্বের দৌড় আয়োজন। যার নাম দেওয়া হয় Saidpur 10K Run।

ডেস্ক ফটো
শহরের অধিকাংশ মানুষ যখন কাকডাকা ভোরে ঘুমে বিভোঢ়। ঠিক সেই মূহূর্তে Saidpur 10K Run ইভেন্টে অংশ নিতে প্রস্তুত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে আগত নানা বয়সী রানার্সগণ। ঘড়ির কাটা যখন ৫:৩০ মিনিট ঠিক তখনই শুরু হয় সৈয়দপুর রানার্স -এর সদস্যদের একযোগে মনোমুগ্ধকর এই দৌড়। দৌড় শুরুর একপর্যায়ে শুরু হয় বৃষ্টি, কিন্তু বৃষ্টি কি বাঁধাগ্রস্থ্য করতে পারে দেহ সুস্থ্য রাখার এই দৌড়! বৃষ্টির মধ্যেও এই দৌড়ে অন্যদের সাথে অংশ নিয়েছিলেন- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিনামূল্যে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে মোটিভ্যাশনাল স্পিকার হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় ডা. সাকলায়েন রাসেল। যিনি বর্তমানে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ভাস্কুলার সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ডা. সাকলায়েন রাসেল বৃষ্টিতে ভিজে দৌড়ে অংশ নেওয়ার সেই মূহুর্তটাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। তিনি জানান, দৌড় হলো সুস্থ থাকার এক বিরাট প্লাটফর্ম। এই খেলায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। মাংসপেশি মজবুত হয় এমনকি হার্ট অ্যাটাকসহ বিপজ্জনক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ডেস্ক ফটো
সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া পিচঢালাইয়ের আঁকাবাকা পথ। সেই পথেই দৌড়ানোর ব্যতিক্রমী দৃশ্য চোখ জুড়ানোর মতো। তাই, এমন একটি ইভেন্টের আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে নতুন-পুরাতন সকল রানার্সদের প্রশংসায় ভাসছেন সৈয়দপুর রানার্স -এর প্রধান আয়োজক জনাব, ডা. কামরুল হাসান সোহেল।

ডেস্ক ফটো
এছাড়াও, ১০ কিলোমিটার দৌড় আয়োজনকে সফল করতে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন- এই ইভেন্টের অন্যতম আয়োজক- এ্যাম্বাসেডর খাইরুল ইসলাম, রেস মার্শাল প্রকৌশলী এনামুল হক আমানসহ ডা. কামরুল হাসান সোহেলের বন্ধুমহল ও ইভেন্টের ভলেন্টিয়ারগণ।

সৈয়দপুর রানার্স কর্তৃক আয়োজিত Saidpur 10K Run-এ অংশগ্রহণকারী রানার্সদের সম্মিলিত ছবি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩১ আগস্ট একটি ফেসবুক লাইভ মিটিং-এর মাধ্যমে এই আয়োজনকে সফল করতে দৌড়ে অংশগ্রহণের জন্য সকলকে উৎসাহিত করেন সৈয়দপুর রানার্স -এর মূল আয়োজকগণ। ফলে, বাংলাদেশের উত্তরের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন জনপদ নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে এই মনোমুগ্ধকর ১০ কিলোমিটার দৌড় আয়োজনে অংশ নেন দেশের প্রায় ৬শতাধিক নানা বয়সী নারী-পুরুষ।

ডেস্ক ফটো
দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল খাবারের সু-ব্যবস্থা, বিতরণ করা হয় পাটের তৈরি কিটব্যাগ, যার ভিতর ছিল- ক্যাপ, জার্সি ও আরো অনেক দৌড় সামগ্রী। ফিনিশারদের দেওয়া হয় মেডেল। এই আয়োজনে যারা বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন তাদের জন্য ছিল সম্মাননা স্মারক। সেরা দৌড়বিদদের দেওয়া হয় ক্রেস্ট ও পোডিয়াম প্রাইজমানি।